ট্রাম্পের বাধা উপেক্ষা করে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে না পারায় তিনি ভার্চুয়ালি এই ভাষণ দেন।
ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এবং তার শীর্ষ সহযোগীদের নিউ ইয়র্কে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর ফলে ৮৯ বছর বয়সী মাহমুদ আব্বাস সশরীরে অধিবেশনে যোগ দিতে পারেননি। তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বিপুল ভোটে আব্বাসকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভাষণ দেওয়ার অনুমোদন দেয়।
এই নিষেধাজ্ঞা এমন এক সময়ে এলো, যখন ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সম্মেলনে পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশ ফিলিস্তিনকে একটি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দৃঢ়ভাবে বলেছেন, তিনি কোনোভাবেই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র হতে দেবেন না। তার মন্ত্রিসভার কট্টর ডানপন্থী সদস্যরাও পশ্চিম তীর দখল করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন, যা ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার সম্ভাবনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, পশ্চিম তীর দখলের বিষয়ে ট্রাম্প তার সঙ্গে একমত। ম্যাক্রোঁ বলেন, “গতকাল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাকে যা বলেছেন তা হলো, ইউরোপীয় এবং আমেরিকানদের অবস্থান একই।”
ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, ট্রাম্প আরব ও মুসলিম বিশ্বের নেতাদের কাছে ২১ দফা শান্তি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। তিনি জানান, এই পরিকল্পনা ইসরায়েল এবং পুরো অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্বেগ নিরসন করবে বলে তারা আশাবাদী। উইটকফ বলেন, “আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমরা কোনো ধরনের সাফল্য ঘোষণা করতে পারব।”
হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প চান এই সংঘাতের “দ্রুত সমাপ্তি” ঘটুক।
সূত্র: আল আরাবিয়া