প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ১২:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
থানকুনি পাতা (যাকে 'ব্রাহ্মণী শাক' নামেও ডাকা হয়) বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও চীনা চিকিৎসাশাস্ত্রে এটিকে বিশেষ ভেষজ হিসেবে ধরা হয়। পেটের অসুখ, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, ক্ষত নিরাময় ও ত্বকের যত্নে থানকুনি পাতার ব্যবহার বিশেষভাবে সুপরিচিত।
থানকুনি পাতার উপকারিতা:
1. পেট ও হজমের জন্য: গ্যাস, অম্লত্ব ও ডায়রিয়ার সমস্যা কমায়।
3. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দ্বারা শরীরকে ফ্রি-র্যাডিকেল থেকে রক্ষা করে।
5. হৃদরোগ প্রতিরোধ: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
7. মন ও ঘুম: উদ্বেগ ও অনিদ্রা কমাতে সহায়ক।
9. চুলের যত্ন: চুল পড়া রোধ ও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
খাওয়ার পদ্ধতি:
থানকুনি পাতা খাওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। এটি কাঁচা বা সেদ্ধ শাক হিসেবে খাদ্যতালিকায় ব্যবহার করা যায়। চাইলে পাতা থেকে রস বের করে অল্প মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পান করা যায়। এছাড়াও চাটনি, ভর্তা বা সালাদে থানকুনি পাতার ব্যবহার জনপ্রিয়।
সতর্কতা:
ভেষজ ওষুধ তৈরিতেও এটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। তবে সতর্কতা অবলম্বন করা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত গ্রহণ করলে বমি, ডায়রিয়া বা মাথা ঘোরা সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও দীর্ঘমেয়াদি একটানা ব্যবহার লিভারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।