গণকণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৫ , ০৯:৫৩ এএম

অনলাইন সংস্করণ

#

তেল আবিবে হুতির ক্লাস্টার মিসাইল হামলা, ব্যর্থ আইডিএফ প্রতিরক্ষা

গভীর রাতে যখন চারদিকে নেমে এসেছে নীরবতা, তখনই বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে তেল আবিব। শুক্রবার চার ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে ইসরাইলে আঘাত হানে হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি মিসাইল। ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি নির্ভর আয়রন ডোম, থাড, এরো এবং ডেভিড স্লিং-এর মতো শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।


এরপরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে ক্ষেপণাস্ত্রটি। ইসরাইলি বিমান বাহিনীর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্লাস্টার ওয়ারহেড যুক্ত মিসাইল। প্রায় দুই বছরের সংঘাতে এবারই প্রথমবারের মতো ক্লাস্টার মিসাইল ব্যবহার করল হুতি বিদ্রোহীরা।

  

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যালিস্টিক মিসাইলের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে আধুনিক এই সমরাস্ত্র। প্রায় সাত থেকে আট হাজার মিটার উচ্চতায় উঠে ক্লাস্টার বোমা ছোট ছোট ওয়ারহেড বা সাবমিউনিশনে বিভক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে। একের পর এক বিস্ফোরণে তখন পরিণত হয় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞে।


ইসরাইলি গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ক্লাস্টার বোমার এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণেই হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। মিসাইলটি ছোট ছোট খণ্ডে বিভক্ত হওয়ার পূর্বে ধ্বংস করতে পারেনি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি।


বর্তমানে সারা বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মতো কয়েকটি পরাশক্তির কাছেই রয়েছে এই ধরনের ক্লাস্টার বোমা। সম্প্রতি ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরাইলে ক্লাস্টার ওয়ারহেড যুক্ত ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছিল ইরান। ধারণা করা হচ্ছে, সেই তেহরানের হাত ধরেই উন্নত এই অস্ত্র হুতিদের হাতে পৌঁছেছে।