প্রকাশিত: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ , ০২:৫৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ
দুই ভাই, দুই প্রতীক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রার্থী: আলহাজ আজিজুর রহমান। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়বেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক। তিনি ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন।
ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপি ও জামায়াতের শক্তিশালী ভোটভিত্তি থাকা এই আসনে পারিবারিকভাবে দুই দিকে বিভক্ত হওয়ায় নির্বাচনের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
বিএনপি প্রার্থীর আত্মবিশ্বাসঃ বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজিজুর রহমান তাঁর ভাইয়ের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে বলেন, "আমি ২০১৮ সালে নির্বাচন করেছি, তখন আমার ভাই (জামায়াত প্রার্থী মোস্তাক) আমার কর্মী ছিল, এখন জামায়াতের প্রার্থী। তবে আমার বংশের সব চাচাতো ভাইয়েরা আমার পক্ষে, আমার দলীয় ভাইয়েরাও আমার পক্ষে।" তিনি আরও যোগ করেন, "আমার চেয়ারম্যান নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সুতরাং জামায়াতে ইসলামী আমার ভাইকে প্রার্থী বানিয়ে কোনো প্রকার ফায়দা নিতে পারবে না, আমি জিতব।"
জামায়াত প্রার্থীর জয় নিয়ে আশাবাদঃ অন্যদিকে, জামায়াতের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, "আমার ভাই বিএনপির প্রার্থী, তাতে ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না।" তিনি জানান, "আমার কয়েকজন চাচাতো ভাই নির্বাচনে নীরব থাকবে, কোনো দিকেই যাবে না। কোনো দিকে গেলে আমার দিকেই আসবে।" মোস্তাক আরও দাবি করেন, "আমি যেহেতু অনেক আগে থেকে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছি, তাই মাঠ গুছিয়ে ফেলেছি। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।"
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়াঃ
স্থানীয়রা মনে করছেন, একই পরিবারের দুই প্রার্থীর এই লড়াই ভোটারের আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে। এটি বিএনপি-জামায়াত ঘরানার ভোটে বিভাজনও তৈরি করতে পারে, যার ফলে নির্বাচনী ফলাফল অপ্রত্যাশিত মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।