প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর ২০২৫ , ১২:২৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট সহকারী শিক্ষকের পদ বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ২৫০০ ক্লাস্টারে সমসংখ্যক শরীর চর্চা শিক্ষক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি সচিব কমিটির সুপারিশে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।
সচিব কমিটি মনে করে যে, প্রকল্পটির পরিকল্পনায় ত্রুটি ছিল। তাদের মতে:
বৈষম্য সৃষ্টি: এতো অল্প সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ প্রাথমিক শিক্ষা পর্যায়ে কার্যকর কোনো সুফল বয়ে আনবে না এবং এতে উল্টো বৈষম্যের সৃষ্টি হবে।
কর্মঘণ্টা ব্যবস্থাপনা অসম্ভব: সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫ শত ৬৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ক্লাস্টার ভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলে একই শিক্ষককে ২০টির অধিক বিদ্যালয়ে একইসাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে, যার ফলে তাঁর পক্ষে কর্মঘণ্টা ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে না।
বিবৃতির শেষে বলা হয়, সচিব কমিটি অভিমত দিয়েছে যে পরবর্তীতে অর্থের সংস্থান সাপেক্ষে সকল স্কুলে এরকম নতুন বিষয়ের শিক্ষকের পদ সৃজন এবং সেসব পদে নিয়োগদানের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
উল্লেখ্য, প্রাথমিকে এই দুটি নতুন পদ সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে ধর্মভিত্তিক কয়েকটি সংগঠনকে আপত্তি তুলতে দেখা গিয়েছিল। এর পরই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল।