প্রকাশিত: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ০৮:৩০ এএম
অনলাইন সংস্করণ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে নেপালে জেনারেশন জেড (জেন-জি) তরুণদের বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী কাঠমান্ডুতে ১৭ জন এবং পূর্বাঞ্চলীয় শহর ইতাহারিতে ২ জন নিহত হয়েছেন বলে বিবিসির খবরে জানা গেছে।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিক্ষুব্ধ তরুণ, ছাত্র ও সাধারণ জনতা কারফিউ ভেঙে সংসদ ভবনে ঢুকে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগে তারা নিহত হন এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঠমান্ডু, পোখরা, বুটওয়াল, ভৈরহাওয়া ও ইতাহারিসহ অন্যান্য এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। তবে অনেক জায়গায় কারফিউ জারির পরও বিক্ষোভ থামেনি।
বিক্ষোভের কারণ ও সরকারের অবস্থান
বিক্ষোভের মূল কারণ হলো, নেপাল সরকারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত। গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বন্ধ রয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা এই আন্দোলনকে ‘জেন-জি রেভলিউশন’ নাম দিয়েছে। তাদের দাবি, সরকারের এই পদক্ষেপ জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সরাসরি রোধ করছে।
অন্যদিকে, নেপাল সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভুয়া আইডি ব্যবহারকারীরা ঘৃণা ও গুজব ছড়াচ্ছে, সাইবার অপরাধ করছে এবং সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করছে। অনিবন্ধিত প্ল্যাটফর্মগুলোকে নিবন্ধন করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা পার হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার টেলিকমিউনিকেশনস অথরিটিকে (এনটিএ) সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।