মুসলিম নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প
গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক সংকট নিয়ে মুসলিম বিশ্বের একাধিক দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, এই বৈঠকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মিশর, জর্ডান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া এবং পাকিস্তানের নেতা বা শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকের মূল বিষয় হবে গাজার বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সেখানকার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে একটি শান্তি প্রস্তাব এবং যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার শাসন কাঠামো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আলোচনায় জিম্মি মুক্তি, যুদ্ধের অবসান, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং হামাস-বহির্ভূত একটি শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে।
ওয়াশিংটন চায়, আরব ও মুসলিম দেশগুলো গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠাক, যাতে ইসরায়েল সহজেই তাদের সেনা প্রত্যাহার করে নিতে পারে। একইসঙ্গে, গাজা পুনর্গঠন এবং সেখানে প্রয়োজনীয় খরচের জন্য এই দেশগুলোর আর্থিক সহযোগিতা চাওয়া হবে।
ট্রাম্পের এই উদ্যোগ এমন এক সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বহু দেশ ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স এবং বেলজিয়ামের মতো দেশগুলো স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, শান্তির একমাত্র পথ হলো দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান। তবে ইসরায়েল এই স্বীকৃতিকে ‘সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করা’ বলে উল্লেখ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রও প্রকাশ্যে এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছে।