গণকণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ০৫:৫৬ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

ইনজুরি না, অন্য কারণে ডাক পাননি নেইমার

২০২৩ এর অক্টোবরে শেষবার ব্রাজিলের জার্সিতে দেখা গিয়েছিল নেইমারকে। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে উরুগুয়ের বিপক্ষে সেই ম্যাচে মারাত্মক এসিএল ইনজুরিতে পড়ে মাঠ থেকে ছিটকে যান এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। এরপর ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেও সৌদি ক্লাব আল হিলাল ছেড়ে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে যোগ দিয়েছেন নেইমার। পেইজিদের হয়ে নেইমারের পারফরম্যান্স আশাবাদী করে তুললেও জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে এই ব্রাজিলিয়ানের।


আগামী শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) মারাকানায় বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে চিলির মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এরপর ১০ সেপ্টেম্বর বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে সেলেসাওদের প্রতিপক্ষ বলিভিয়া। এই দুই ম্যাচের জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে বাছাই পর্বের এই দুই ম্যাচের জন্য দলে রাখা হয়নি নেইমারকে। আনচেলত্তি দায়িত্ব নেয়ার পর দ্বিতীয় দফাতেও দলে ফেরা হলো না সেলেসাওদের জার্সিতে সর্বোচ্চ গোলদাতার।



দল ঘোষণার সময় নেইমারকে স্কোয়াডে না রাখার ব্যাখ্যা হিসেবে আনচেলত্তি বলেছিলেন, তার 'হালকা চোট' আছে। এই কোচের ভাষ্য, 'তাকে পরীক্ষা করার দরকার নেই' এবং 'ভালো শারীরিক অবস্থায়' না থাকলে নির্বাচনের যোগ্য হিসেবে কাউকে বিবেচনা করা হবে না ।


এই ইস্যুতে এবার মুখ খুলেছেন নেইমার। কোচ আনচেলত্তির বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন তিনি। দলে ডাক না পাওয়ার পেছনে চোটকে কারণ মনে করতে নারাজ তিনি। দল ঘোষণার পর গত রোববার (৩১ আগস্ট) ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে সান্তোসের জার্সিতে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন তিনি। গোলশূন্য ড্রয়ে ম্যাচ শেষের পর ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন এই ৩৩ বছর বয়সী।  


নেইমার বলেন, 'আমার অ্যাডাক্টরে কিছুটা ফোলাভাব ছিল, অল্প অস্বস্তি ছিল, কিন্তু সেটা গুরুতর কিছু ছিল না, এতটাই না যে আমি আজ খেলেছি। যাই হোক, আমি বাহিয়ার বিপক্ষে (২৪ আগস্ট) খেলতাম না, তাই তারা (সান্তোস) চাইলো আমাকে কয়েকদিন অনুশীলন থেকে বিরত রাখতে, বিশ্রামে রাখতে যাতে আমি সুস্থ হই।'


নেইমার আরও বলেন, 'আমাকে বাদ দেওয়ার কারণ পুরোপুরি টেকনিক্যাল, আমার শারীরিক অবস্থার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এটা কোচের মতামত, আমি তা সম্মান করি। যেহেতু আমি দলে নেই, এখন আমাদের শুধু দলকে সমর্থন করতে হবে।'



বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে ব্রাজিল। পয়েন্টে ইকুয়েডরের সমান হলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় তিনে সেলেসাওরা। উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে তাদের চেয়ে মাত্র ১ পয়েন্টে পিছিয়ে। ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে আর্জেন্টিনা ধরাছোঁয়ার বাইরে।


আনচেলত্তির অধীনে জুনে বাছাই পর্বের দুই ম্যাচের একটিতে জয় পেলেও বাকি ম্যাচটিতে ড্র করে ব্রাজিল। ইকুয়েডরের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল এই ইতালিয়ানের শিষ্যরা।