প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০২৫ , ১১:০৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ
গাজার দিকে মানবিকতার বার্তা নিয়ে এগিয়ে চলা ত্রাণবাহী ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’-র ওপর যেন বজ্র নেমে এল! ইসরায়েল অন্তত আটটি জাহাজ জব্দ করেছে। আর এই জাহাজগুলোতে থাকা পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ দুই শতাধিক মানবাধিকার কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এটি যেন সহানুভূতি ও মানবিকতার ওপর কঠোরতার হামলা।
আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। জব্দ করা জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে- দেইর ইয়াসিন, হুগা, স্পেকটার, আদারা, আলমা, সাইরিয়াস, অরা এবং গ্রান্ডে ব্লু।
তবে ইসরায়েলের চোখরাঙানি উপেক্ষা করে আরও দুটি জাহাজ গাজার দিকে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টার দিকে ‘মেটেক’ এবং ‘অল’ নামের ওই নৌযান দুটি উপত্যকা থেকে মাত্র ১১১ কিলোমিটার দূরে ছিল। যদিও এখন পর্যন্ত তাদের পরবর্তী অবস্থান জানা যায়নি। এই দুটি জাহাজ যেন আশার দুটি শেষ প্রদীপ।
আটকের আগে যা ঘটল
এর আগে, বহরে থাকা বাংলাদেশের আলোকচিত্রী শহিদুল আলম জানিয়েছিলেন, গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ‘আলমা’ জাহাজটি ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয়েছে। তিনি আরও জানান, বহরের বেশ কয়েকটি জাহাজকে ইসরায়েলি নৌবাহিনী যেন এক জলজ দেয়াল তৈরি করে ঘিরে ধরেছে।
অন্যদিকে আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন, তেলআবিবের বাধার কারণে হঠাৎ করেই জাহাজগুলোর লাইভ সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়, যেন আলোকচিত্রীর চোখ বন্ধ করে দেওয়া হলো। ত্রাণবাহী এই আন্তর্জাতিক নৌবহরটি এখন গাজার উপকূলের কাছাকাছি অচলাবস্থার মুখোমুখি। এর আগে সুমুদ ফ্লোটিলায় জরুরি অবস্থাও ঘোষণা করেন আয়োজকরা। শহিদুল আলমসহ ৪৪টি দেশের ৪৭ জন মানবাধিকার কর্মী এই বহরে ছিলেন, তারা যেন শান্তির পায়রা হয়ে ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছিলেন।