প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ০১:৪৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের মতো ‘স্বাধীনতার পক্ষের-বিপক্ষের শক্তি’র বিভাজন দিয়ে দেশের মানুষকে বিভক্ত করা উচিত হবে না। শনিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এখন আর এই ‘চেতনার ব্যবসা’ চলবে না।
রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে শায়খুল হাদীস পরিষদ আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত চার শীর্ষ নেতার নেতৃত্ব, ত্যাগ ও সংগ্রাম নিয়ে এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির এই নেতা জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়েও কোনো একক গোষ্ঠীর 'ধারক-বাহক' সেজে বিভক্তি সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান। তার মতে, এখন শুধু ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য’ই একমাত্র শক্তি হিসেবে স্বীকৃত হওয়া উচিত।
কয়েকটি দলের মাঠের কর্মসূচির সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সবকিছুর সমাধান আলোচনার টেবিলে হতে হবে। একই বিষয়ে বারবার আন্দোলন করে এমন কোনো নজির স্থাপন করা উচিত নয়, যা দুদিন পর আবার ভেঙে যাবে।
ইসলামপন্থী কয়েকটি দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ৯০ থেকে ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশে ইসলামকে রাজনীতির জন্য আলাদা বাক্সে বন্দি করার চেষ্টা করা উচিত নয়। ইসলাম নিয়ে বিভাজন বা বিভ্রান্তিকর রাজনীতি না করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের ডিএনএ-তে গণতন্ত্র নেই। জন্মলগ্ন থেকে তারা বাংলাদেশের পক্ষে রাজনীতি করেনি, বরং বিদেশিদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।
সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীসহ অন্যান্য ইসলামি দলের নেতারাও বক্তব্য রাখেন। তারা ইসলামবিরোধী শক্তির বিভাজনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উলামায়ে কেরামকে সতর্ক থাকতে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান। অন্যথায় তারা আবারও আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেন।